চলতি জুন মাসের প্রথম ১০ দিনেই বৈধ পথে বাংলাদেশে এসেছে ১২০৩.১৫ মিলিয়ন বা ১২০ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলারেরও বেশি বৈদেশিক মুদ্রা। পূর্ববর্তী বছরের একই সময়ে এর পরিমাণ ছিল ৯৫৬.১৯ মিলিয়ন ডলার।
সেই অনুযায়ী, বিগত বছরের সমসাময়িক কালের তুলনায় প্রবাসী আয়ের ক্ষেত্রে এবার ২৫.৮৩ শতাংশ বার্ষিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা দেশের প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনৈতিক কাঠামোর প্রতি প্রবাসীদের ক্রমবর্ধমান নির্ভরযোগ্যতারই বহিঃপ্রকাশ।
প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, কেবল ১০ জুন এক দিনেই প্রবাসীরা বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন ১০ কোটি ৪৮ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার, যা বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের এই ইতিবাচক ধারাবাহিকতা বজায় থাকার সুস্পষ্ট আভাস দিচ্ছে।
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, রেমিট্যান্স আসার এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে চলমান চাপ লাঘব করতে এবং সার্বিক বাহ্যিক অর্থনৈতিক অবস্থাকে সুসংহত করতে অত্যন্ত কার্যকর অবদান রাখছে।
বিশেষজ্ঞরা আরও মনে করেন, প্রবাসীদের জন্য সরকারের নগদ প্রণোদনা সুবিধা প্রদান, দাপ্তরিক ব্যাংকিং প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং হুন্ডির মতো অবৈধ উপায়ে অর্থ স্থানান্তরের বিরুদ্ধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান ও নজরদারি বৃদ্ধির কারণেই এমন আশাব্যঞ্জক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে।
অন্যদিকে, চলতি অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১০ জুন পর্যন্ত সামগ্রিক হিসাবে দেশে মোট রেমিট্যান্স জমা হয়েছে ৩৩.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর বিপরীতে পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ে এই আয়ের পরিমাণ ছিল ২৮.৪৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ফলে সামগ্রিক বিবেচনায় এই সময়কালে প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থে ১৯.৩১ শতাংশ প্রবৃদ্ধি রেকর্ড করা হয়েছে।







